https://thesylhet.tv/

1113

new

নতুন

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে বাড়ছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার

প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৫:৩১
প্রতিবেদক: দ্যা সিলেট ডেস্ক

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে বলা হয় বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সুরক্ষা প্রাচীর। আর এই অরণ্যের সবচেয়ে গর্বের পরিচয় ও জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার। জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবসৃষ্ট নানা হুমকির কারণে একসময় সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেলেও, দীর্ঘদিনের সংরক্ষণ প্রচেষ্টার ইতিবাচক ফল মিলতে শুরু করেছে। গত সাত বছরে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে ১১টি।

আজ ২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস। দিবসটিকে ঘিরে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির এ তথ্য প্রকৃতিপ্রেমী, গবেষক ও বননির্ভর মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। 

ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ঢালের মতো বাংলাদেশকে রক্ষা করে আসছে সুন্দরবন। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, আবাসস্থলের সংকট এবং বিভিন্ন মানবসৃষ্ট কারণে একসময় এই বনের রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় বন বিভাগ বাঘ সংরক্ষণ ও প্রজনন বৃদ্ধিতে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি পরিচালিত দুটি পৃথক জরিপে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির ইতিবাচক চিত্র উঠে এসেছে। তবে গবেষকদের মতে, সংখ্যা বাড়লেও বাঘ এখনো নানা প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট ঝুঁকির মুখে রয়েছে। নিরাপদ আবাসস্থল, পর্যাপ্ত খাদ্য এবং নির্বিঘ্ন প্রজননের পরিবেশ নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগার রক্ষায় সরকার ইতোমধ্যে একাধিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর ফলে সুন্দরবনে বাঘের জন্য আগের তুলনায় আরও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

নয়নাভিরাম সুন্দরবনে এখন আগের তুলনায় বাঘের উপস্থিতিও বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এই ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে বন বিভাগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন। 

/*** Link Copy ***/ /*** Link Copy ***/