রাতের আঁধারেই ব্যস্ত হয়ে ওঠে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ। ঝাড়ু দেওয়া, ধোয়া-মোছা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ব্যস্ত কর্মীরা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আসাকে কেন্দ্র করেই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই আয়োজন। কিন্তু এই দৃশ্য দেখে প্রশ্ন তুলছেন রোগীরা-প্রতিদিনের হাসপাতাল আর মন্ত্রী আসার আগের হাসপাতাল কি একই?
কেউ কেউ বলছেন, আগের তুলনায় হাসপাতালের পরিবেশ ও সেবায় কিছুটা পরিবর্তন এসেছে।
তবে চিকিৎসা নিতে আসা অনেকের অভিযোগ, উন্নতির পরও ভোগান্তি পুরোপুরি কাটেনি। চিকিৎসকের জন্য অপেক্ষা, পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দীর্ঘসূত্রতা কিংবা এক বিভাগ থেকে আরেক বিভাগে ছুটে চলা, নিজেদের নিরাপত্তা -সব মিলিয়ে অসুস্থ রোগীর জন্য হাসপাতাল হয়ে ওঠে দীর্ঘ অপেক্ষার জায়গা।
শুধু রোগীদের অভিযোগ নয়, চিকিৎসকদের কর্মঘণ্টা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। হাসপাতালের এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের আগেই বহির্বিভাগের ৯৬ শতাংশ এবং অন্তর্বিভাগের ৯০ শতাংশ চিকিৎসক কর্মস্থল ত্যাগ করছেন। আর এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষগুলোর ওপর।
অন্যদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তৎপর রয়েছেন পুলিশ সদস্যরাও।
মন্ত্রী আসছেন-তাই হাসপাতাল প্রস্তুত। পরিষ্কার হচ্ছে প্রাঙ্গণ, বাড়ছে নিরাপত্তা, নজরদারিও জোরদার হচ্ছে।
রোগীদের প্রত্যাশা-বিশেষ কোনো সফর নয়, প্রতিদিনই থাকুক পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, সময়মতো চিকিৎসা এবং হয়রানিমুক্ত সেবা।