প্রকাশিত : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৪৭ (সোমবার)
সিলেটে শুরু ‘রবি বোলার হান্ট' - নতুন প্রতিভা খোঁজার মঞ্চে এবার নারীরাও

একটি বল, একটি ডেলিভারি - বদলে দিতে পারে একজন ক্রিকেটারের পুরো জীবন। সেই সম্ভাবনাই খুঁজে বের করতে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে ‘রবি বোলার হান্ট’- এর আঞ্চলিক ট্রায়াল। 
এবারের আয়োজনে বিশেষ আকর্ষণ - পুরুষের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটাররাও অংশ নিতে পারছেন। 

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড - বিসিবি ও রবির যৌথ উদ্যোগে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে প্রতিভা অন্বেষণের এই কার্যক্রম। প্রায় ১০ বছর পর আবারও মাঠে গড়ানো বোলার হান্টের আঞ্চলিক পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়েছে সিলেটে।

পুরুষ ও নারী - উভয় বিভাগের ১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সী ক্রিকেটাররা অংশ নিচ্ছেন এই বাছাইয়ে। দেশের সব বিভাগীয় শহরে পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে ট্রায়াল। এরপর প্রতিটি ভেন্যু থেকে নির্দিষ্টসংখ্যক বোলারকে ঢাকার চূড়ান্ত ক্যাম্পে ডাকা হবে।

বাছাই প্রক্রিয়ায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন বিসিবির কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও সোহেল আহমেদ। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক লেগস্পিনার মোশতাক আহমেদ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক পেসার কোরি কলিমোর। 

শুধু প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নয়, নির্বাচিতদের জন্য থাকছে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের সুযোগ। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত বোলাররা পুরস্কারের পাশাপাশি বিসিবির হাই পারফরম্যান্স - এইচপি ইউনিটের সঙ্গে অনুশীলনের সুযোগ পাবেন। পরবর্তী সময়ে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে বিসিবির গ্রুমিং প্রোগ্রামে।

দেশে পেস বোলিং প্রতিভা খোঁজার প্রথম বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ২০০৪ সালে। সেই আয়োজন থেকেই উঠে এসেছিলেন রুবেল হোসেন।

এরপর ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে রবির সহযোগিতায় দুটি পেস বোলিং হান্ট ও দুটি স্পিন বোলিং হান্ট আয়োজন করে বিসিবি। সেই আয়োজনের পথ ধরে জাতীয় পর্যায়ে উঠে আসেন এবাদত হোসেন, খালেদ আহমেদ ও লেগস্পিনার রিশাদ হোসেনের মতো ক্রিকেটাররা।

তবে এবারের আয়োজনের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন - সুযোগের পরিধি আরও বিস্তৃত। পুরুষ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটাররাও নিজেদের বোলিং প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাচ্ছেন একই মঞ্চে।

সিলেট থেকে শুরু হওয়া এই যাত্রা পর্যায়ক্রমে পৌঁছাবে দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরে। সেখান থেকে বাছাই হয়ে ঢাকায় হবে চূড়ান্ত ক্যাম্প ও নির্বাচন।