দেখে মনে হতে পারে লাল আর সাদার নিখুঁত ছোঁয়ায় যেন ফুটে উঠেছে কলকাতার ঐতিহাসিক দক্ষিণেশ্বর মন্দির। তবে কলকাতা নয়, এটি সিলেটের চালিবন্দরে সুরমা নদীর তীরে নবনির্মিত দৃষ্টিনন্দন কালী মন্দির।
সিসিকের উদ্যোগে শুক্রবার সকালে সুরমা নদীর তীরে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধন করা হয় ঐতিহ্যবাহী চালিবন্দর মহাশ্মশান কমপ্লেক্স ও নবনির্মিত দৃষ্টিনন্দন এই কালী মন্দির। রাজকীয় এই স্থাপত্যের দুয়ার খোলার সাথে সাথেই মন্দির প্রাঙ্গণে ঢল নামে হাজারো ভক্ত ও দর্শনার্থীর। ধর্মীয় নেতা ও সুধীজনের পদচারণায় পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবমুখর মিলনমেলায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা তরুণ সমাজকে নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের ওপর আলোকপাত করেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার। উদ্বোধনী আয়োজনে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, জেলা প্রশাসক, পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ শ্মশান কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দৃষ্টিনন্দন এই মহাশ্মশান কমপ্লেক্স সিলেটের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও স্থাপত্যশৈলীর এক নতুন ঐতিহাসিক স্মারক হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।