গত বিশ্বকাপের লুসাইলে নেদারল্যান্ডস ম্যাচ, ফাইনালের ফ্রান্স ম্যাচ কিংবা মায়ামিতে কেপ ভার্দে, আটলান্টার মিশর ম্যাচ সবকিছুই যেনো মেসি নিজের হাতে এঁকেছেন। চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে ম্যাচ ফ্যাক্ট, নিজেদের ইতিহাসের অসাধারণ কামব্যাক, এগিয়ে থাকা মিশরের খেই হারানো আর খই ফুটানো কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলবো আজকে খেলার গল্পে।
ম্যাচের ৭৮ মিনিট। ২-০ গোলে পিছিয়ে তখন আর্জেন্টিনা। বিদায়ের দামামা বাজছে সবার মনে। ইতিহাসে লিখা নেই আর্জেন্টিনার কামব্যাক। সেই পেনাল্টি মিস থেকে বিগ চান্সেস সব একা হাতে এই ৭৮ মিনিট পর্যন্ত আটকে দিয়েছেন শোবেইর ইব্রাহিম-হাসানরা। মেসিদের চোখে মুখে ফ্রাস্টেশন আর এটাক গোছানোতে ব্যাস্ত কিন্তু বারবার পরাস্ত মিশরের কাছে। না পাচ্ছে স্পেস, কর্ণার থেকে না পাচ্ছে এরিয়াল জয় করা কোনো ক্রস!
তারপর মেসি ম্যাজিক!
মেসি কাঁদছেন, সবাই কাঁদছে। লিওনেল স্কারোনি কাঁদছেন। কি এক অসাধারণ মুহুর্তের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলো সময়। এ কান্না কোনো নিছক কান্না নয়। এ কান্না একটা খুঁজে বেড়ানোর মত্ত নেশা, যেটা চির অধরা ছিলো সেটাকে আবারো নিজের করে নেয়ার নেশা। প্রত্যেকটি প্লেয়ার, কোচ, অ্যাসিস্ট্যান্ট যেনো একই সুঁতোয় বাঁধা। নিজেদের ইতিহাসে এমন দুর্দান্ত কামব্যাক যেনো বলছে মেসি যতক্ষণ মাঠে আছেন শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত ভরসা রেখো, তিনিই বাঁচাবেন, তিনিই আবারো নিয়ে যাবেন চূড়ায় যেখানে কেউ এমনভাবে যেতে পারেনি।